Home / Exclusive / ক্যাসিনো ইস্যুতে চিত্রনায়িকা রত্নার বিস্ফোরক স্ট্যাটাস

ক্যাসিনো ইস্যুতে চিত্রনায়িকা রত্নার বিস্ফোরক স্ট্যাটাস

‘টেন্ডার কিং’ জি কে শামীম র‌্যাবের হাতে ধরা পর থেকেই সামনে আসছে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। যার ধাক্কা লেগেছে মিডিয়া পাড়াতেও। একটি জাতীয় দৈনিক উঠে আসে শোবিজের অনেকের সঙ্গে শামীমের ঘনিষ্ঠতার অভিযোগ। অভিযোগ, টেন্ডার বাগিয়ে নিতে অনেক উঠতি নায়িকা থেকে শুরু করে মডেলদের ব্যবহার করতে টেন্ডার মাফিয়া জি কে শামীম। খবরে বলা হয়, জিজ্ঞাসাবাদে জি কে শামীম ও যুবলীগের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাংগঠনিক সম্পাদক খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়া ডিবি পুলিশের কাছে এসব তথ্য স্বীকার করেছেন। শামীমের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার অভিযোগ উঠেছে অভিনেত্রী রত্না, উঠতি নায়িকা মিষ্টি জান্নাত, মডেল ও অভিনেত্রী রাহা তানহা খান ও চলচ্চিত্রের উঠতি অভিনেত্রী শিরিন শীলা। এদিকে জি কে শামীমের সাথে কোন সম্পর্ক নেই এমনকি শামীমকে ব্যক্তিগতভাবে চিনেননা দাবি করে চিত্রনায়িকা রত্না বৃহস্পতিবার তার ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন। যেখানে তিনি প্রকৃত দোষীদের নাম প্রকাশ করার অনুরোধ জানান প্রশাসনের কাছে। রত্নার স্ট্যাটাসটি বাংলাদেশ জার্নাল পাঠকদের জন্য হুবহু তুলে ধরা হলো- ‘আমি তদন্ত কর্মকর্তাদের নিকট আকুল আবেদন করছি জি কে শামীম নামক লোকটির সাথে জড়িত নায়িকাদের সঠিক নাম বের করে আনার জন্য। আর না হয় এভাবে তিন নায়িকা সাত নায়িকা…..সন্দেহে অনেক হলদে সাংবাদিক নিজেদের ফায়দা লুটার চেষ্টায় মগ্ন। আমি শতভাগ নিশ্চিত যেসকল খবর ছাপা হচ্ছে তারা কোনরকম প্রমাণ ছাড়াই করছেন।আমি আশা করবো জুয়া খেলার যে অভিযান দেশে চলছে….এর সাথে মানুষের মান নিয়ে কিছু সাংবাদিক বরাবরই জুয়া খেলে ফায়দা লুটার চেষ্টা করে। সরকার এবং প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের নিকট আকুল আবেদন আপনারা এই জিকে শামীমকে নিয়ে জড়িয়ে যারা মিথ্যা খবর ছাপিয়ে কিছু নির্দোষ শিল্পীর মান নষ্ট করেছে তাদের আইনগত ব্যবস্থা নিবেন, কারণ তারা শুধু ভুল তথ্য ছাপায় তা নয় অন্তরালে ঐ নায়িকার সাথে অনেক অপকর্মে ব্যর্থ হয়ে পরেই নির্দোষকে দোষী করে আর দোষীরা এই সুযোগে পার পেয়ে যায়। আমি সকল প্রকৃত সাংবাদিক ভাইদের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে বলছি আপনারাও এই মূর্খ হলদে সাংবাদিক গুলোকে চিহ্নিত করুন এবং প্রতিবাদ করুন। আমি লক্ষ্য করেছি, প্রথম দিন জিকে শামীম এই নামটির সাথে অন্য পাঁচজন নায়িকার নাম সম্পৃক্ত করা হয়। পরদিন অন্য তিনজন এগুলো দেখেই বুঝা যাচ্ছে আনুমানিক ডিল। এগুলোতে জানিনা কী লাভ আপনাদের। আমি একজন মুক্তিযোদ্ধা সন্তান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার্স করে বের হয়েছি। আইন বিষয়ে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাশ করে বর্তমানে আইন চর্চায় ব্যস্ত। আর এসব ডিগ্রী আমি নিয়েছি চলচ্চিত্রে এসে। আমার চলচ্চিত্রে কাজ করে অন্য কোনদিকে দৌড়ানোর সময় কখনও ছিলোনা। আমার চলচ্চিত্র সম্পৃক্ত ব্যক্তিবর্গ, আত্মীয়, বন্ধুমহল, সকলেই আমার সম্পর্কে জানেন। যদিও আপনাদের এই বিভ্রান্তিকর নিউজ আমার বা আমার আত্মীয়, পরিবারের মনে কোন বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারেনি। তবুও এমন ভুল তথ্য আপনাদের পবিত্র কলম দিয়ে কেন ছাপাবেন? আমি অনেক অনুষ্ঠানে গিয়েছি কাজের সুবাদে অনেক জায়গার যাওয়াও হয়, যদি একদিন জি কে শামীমকে কোথাও দেখতাম সকলকে জানাতাম। অমুক জায়গায় দেখেছি। এটা দোষের কিছু নয়। কারণ সে জুয়ারী কিংবা তার কত কোটি টাকা তার আছে এটাতো আর আমি জানতাম না এতে আমার দোষ কোথায় স্বীকার করতে। কিন্তু জীবনে কোনদিন তার নামটি শুনিনি আমি। কোনদিন কোন অনুষ্ঠানেও দেখা হয়নি। কিন্তু কিছু মিডিয়া আমার ছবি না জেনে ব্যবহার করছে। আমি তাদেরকে চ্যালেঞ্জ করলাম আমি জি কে শামীমকে চিনিনা। আমি একজন মুক্তিযোদ্ধা সন্তান হিসেবে সরকারের নিকট এবং প্রশাসনের নিকট সহায়তা চাইছি। এর সুষ্ঠু তদন্তের ফলাফল বের করে যেনো দ্রুত এর একটা সমাধান করা হয়।’

About admin

Check Also

ক্যাসিনো থেকে বিসিবি পরিচালকের দৈনিক আয় ৭০ হাজার টাকা

রাজধানীতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাম্প্রতিক অভিযানে প্রকাশ্য পাচ্ছে ক্রীড়াঙ্গনে জুয়ার আগ্রাসন। বেরিয়ে আসছে একের পর এক …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *